• রবিবার ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

    শিরোনাম


    টাকা ফেরতের দাবীতে ইউ,পি কার্যালয়ে ভুক্তভোগীদের বিক্ষোভ

    সান্তাহারে ভাতার কার্ড ও সরকারি ঘর নিতে টাকা দিয়েও ঘুরতে হচ্ছে চেয়ারম্যান টুলুর কাছে

    নিজস্ব প্রতিনিধি, আদমদীঘি | ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৮:১১ অপরাহ্ণ

    বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হক টুলু’র বিরুদ্ধে সরকারি বাড়ি দেওয়ার নামে গ্রহন করা টাকা ফেরত দেয়ার দাবীতে রবিবার সকালে ইউপি কার্যালয়ে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ করেছেন কিছু সংখ্যক হতদরীদ্র। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন ভাতা এবং বাড়ি দেওয়ার নাম করে বহু হতদরীদ্র পরিবারের নিকট টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

     


    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমি আছে বাড়ি নাই এবং ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের বাড়ি পাওয়ার যোগ্যদের তালিকাভুক্ত করার নামে সান্তাহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক সরদার টুলু নিজে ও ইউপির মেম্বার, চৌকিদার এবং দলীয় নেতা- কর্মীদের মাধ্যমে অবাধে ঘুষ বাণ্যিজ্য করেছেন।

     


    এদিন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা বলেন সান্দিড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক (৬০)। কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের বাড়ি নির্মাণ শুরু হলে আমি আমার প্রতিবন্ধি মেয়ে রঞ্জনা আক্তারের জন্য চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে একটি বাড়ি দেওয়ার মৌখিক আবেদন করি। চেয়ারম্যান বলেন বাড়ি দেওয়া যাবে কিন্তু টাকা লাগবে ৫০ হাজার। প্রায় দেড় মাস পূর্বে আমি সমিতি (এনজিও) থেকে লোন নিয়ে ৫০ হাজার টাকা চেয়ারম্যানের হাতে দিই এবং কিছু কম নিতে বলি। তিনি ৫ হাজার টাকা কম নেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাড়ি দেননি। আবার টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। একই ধরনের অভিযোগ করেন একই গ্রামের সুমন, সুমনের ভাই রফিকুলের স্ত্রী মেহেরুন, হাসান আলী ও হোসেন আলী। তারা বলেন, প্রায় ৩ বছর পূর্বে জমি আছে বাড়ি নাই প্রকল্পে বাড়ি দেওয়ার কথা বলে চেয়ারম্যান মৃত সফুরা মেম্বারের মাধ্যমে ১৫ থেকে ১৮হাজার টাকা করে নেয়। কিন্তু বাড়ি দেয়নি। টাকা ফেরত চাইলে চেয়ারম্যান কিছু টাকা দেওয়ার পর আর দিচ্ছে না। সেজন্য আমরা আজ সবাই এসেছি। কিন্তু চেয়ারম্যান নাই। সে কারনে আমরা বিক্ষোভ করেছি। আমাদের সাথে সাধারণ মানুষও ছিল।

     


    এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানের মোবাইল ফোনে সংবাদকর্মী যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি কারো কাছ থেকে নিজে টাকা নিইনি। তবে এক মহিলা মেম্বার নিয়েছিল। তিনি মারা যাবার পর মানুষজন আমাকে জানালে আমি কিছু কিছু করে টাকা ফেরত দিয়েছি। এর পরও কেউ যদি আমার নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা নিয়ে থাকে তাহলে আমি সন্ধান করে দেখব।

     

    এ ব্যাপারে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা শারমিন বলেন,সরকারি কোনো অনুদান, ভাতা অথবা ভূমিহীন গৃহহীনদের ঘর নির্মাণে কোনোরূপ অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের সুযোগ নেই। অর্থ দাতা এবং গ্রহিতা সমান অপরাধি। অভিযোগ দাখিল হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ৮:১১ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২১

    seradesh.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১ 

    সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : সাদেকুল ইসলাম | সম্পাদক : আবু সাঈদ

    ঢাকা অফিসঃ বাড়ি #৫ (১ম তলা) রোড #০ কল্যাণপুর, ঢাকা-১২০৭, অফিস ঢাকা রোড সান্তাহার ৫৮৯১
    ফোন : 01767 938324 (মফস্বল) 01830 359796 (সম্পাদক) | E-mail : seradeshmoff@gmail.com, news@seradesh.com

    ©- 2021 seradesh.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।

    %d bloggers like this: