ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
সেরাদেশ

যৌ/ন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির দায়ে রাবির অধ্যাপক বরখাস্ত



যৌ/ন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির দায়ে রাবির অধ্যাপক বরখাস্ত
পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

উপাচার্য বলেন, "বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী গত সিন্ডিকেট সভায় তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।"

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধ্যাপক প্রভাষ কুমার।

তার দাবি, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি। 

এই শিক্ষক বলেন, "আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমাকে ফাসানো হয়েছে। তদন্তে আমার প্রতিনিধি দেওয়ার জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। একতরফাভাবে ষড়যন্ত্র করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার পাইনি।"

অধ্যাপক প্রভাষ কুমারের অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ।

তিনি বলেন, "তার বিরুদ্ধে গঠিত কমিটি দুটি তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী একটি উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে তার একজন প্রতিনিধি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দেননি। তিনি বিভিন্ন সময়ে লিখিতভাবে তার বক্তব্য পাঠিয়েছেন। উচ্চতর কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট তার শাস্তির অনুমোদন দিয়েছে।"

এর আগে গত বছর ৪ অগাস্ট অধ্যাপক প্রভাষ কুমারের বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে চেম্বারে ডেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত বছরের ১৩ আগস্ট বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই শিক্ষার্থীর মা। অভিযোগ তদন্তে বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। 

এসময় বিভাগের অন্য শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে অ্যাকাডেমিক অসদাচরণের অভিযোগ তোলে। এ ঘটনায় ১৭ অগাস্ট অধ্যাপক প্রভাষের বিরুদ্ধে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কমিটি দুটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিকতর তদন্ত করে। 

তবে বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক প্রভাষ কুমারকে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

সেরাদেশ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


যৌ/ন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির দায়ে রাবির অধ্যাপক বরখাস্ত

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

যৌন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

উপাচার্য বলেন, "বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী গত সিন্ডিকেট সভায় তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।"

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধ্যাপক প্রভাষ কুমার।

তার দাবি, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাকে যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি। 

এই শিক্ষক বলেন, "আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। আমাকে ফাসানো হয়েছে। তদন্তে আমার প্রতিনিধি দেওয়ার জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। একতরফাভাবে ষড়যন্ত্র করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার পাইনি।"

অধ্যাপক প্রভাষ কুমারের অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ।

তিনি বলেন, "তার বিরুদ্ধে গঠিত কমিটি দুটি তাকে অব্যাহতির সুপারিশ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী একটি উচ্চতর কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে তার একজন প্রতিনিধি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি দেননি। তিনি বিভিন্ন সময়ে লিখিতভাবে তার বক্তব্য পাঠিয়েছেন। উচ্চতর কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট তার শাস্তির অনুমোদন দিয়েছে।"

এর আগে গত বছর ৪ অগাস্ট অধ্যাপক প্রভাষ কুমারের বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে চেম্বারে ডেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে গত বছরের ১৩ আগস্ট বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ওই শিক্ষার্থীর মা। অভিযোগ তদন্তে বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়। 

এসময় বিভাগের অন্য শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে অ্যাকাডেমিক অসদাচরণের অভিযোগ তোলে। এ ঘটনায় ১৭ অগাস্ট অধ্যাপক প্রভাষের বিরুদ্ধে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কমিটি দুটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিকতর তদন্ত করে। 

তবে বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক প্রভাষ কুমারকে অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।


সেরাদেশ

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম
সম্পাদক: আতোয়ার হোসেন
বার্তা সম্পাদক: তরিকুল ইসলাম।

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সেরাদেশ
যৌ/ন হয়রানি ও অ্যাকাডেমিক দুর্নীতির দায়ে রাবির অধ্যাপক বরখাস্ত
0:00 0:00
1.0x