ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
সেরাদেশ

বগুড়ায় ফুটপাত দখল যেন বাপ-দাদার সম্পত্তি,পুলিশ যেন খেলনার পুতুল



বগুড়ায় ফুটপাত দখল যেন বাপ-দাদার সম্পত্তি,পুলিশ যেন খেলনার পুতুল
ছবি: প্রতিনিধি

বগুড়ার সাতমাথা থেকে সবগুলো রাস্তা হকারদের দখলে। কয়দিন আগে দেখলাম, বগুড়ার ট্রাফিক ইনচার্জ সালেকুজ্জামান বিভিন্ন রাস্তায় বাঁশের বেড়া লাগিয়ে যানজট নিরসন করছে। পরের দিন খুঁজলাম সেই বাঁশ—পরে দেখি, সাইডে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে বাঁশগুলো!

যাই হোক, মূল কথায় আসি। কাঁঠালতলায় আমি আর সাংবাদিক নাজমুল সংবাদপত্রের বাজারের তথ্য নিয়ে ফেরার পথে পেঁপে দেখে নিলাম ও সেখানেই খাচ্ছিলাম।

খেতে খেতে দখলাম ৩ জন লোক , ড্রাগন নিচ্ছে। ফুটপাতের দোকান হাতের কাছে থাকায় ২০০ টাকা কেজি দরে ২টা মাপতে বললো।আমরা পাশ থেকে সব কিছু দেখছি আসলে ঘটে কি? দাম অনেক পরে ৮০+ টাকা আসলো। একজন বলে উঠলো, দেশি ছোট ড্রাগন এতো ওজন হওয়ার কথা না, তাই নিব না।

আসার সময় আবার ফুটপাত দখলকারি বলতেছে, ড্রাগন নিতে হবে। তারা বললো, ওর পছন্দ না—নিব না। সে কী জোর! বলছে, মাপালেন কেনো, নিতে হবে। তোড়জোড়, হুটহাট!

এদেরকে সপ্ট কর্ণার থেকে দেখতাম, কিন্তু আচরণ ১০০% খারাপ। এর  মধ্যে ভালো আচরণের লোক ও আছে সবাই খারাপ না। 

আসলে এটা শুধু তাদের সঙ্গে ঘটেছে তা নয়, হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে এসব ঘটাচ্ছে।

ফুটপাত দখল নিয়ে গায়ের জোরে বিক্রি করায় তাদের প্রধান উত্তম আয়। আসলে এমন করলে এ জগত, পরের জগত—২টাই যাবে।

আর আমাদের ট্রাফিক ইনচার্জকে বগুড়া থেকে ট্রান্সফার করা হোক। বহুদিন হয়েছে, সবাইকে মমতা দেখিয়ে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছে।

যানজট কমবে না মনে হয় বগুড়ায়।সিটি করপোরেশন হয়েছে, অথচ জীবনযাত্রার মান সেই লাউ আর কদু! বগুড়াবাসী স্থায়ী কিছু উন্নয়ন চায়। ও ভালো কথা ছবিতে দেখছেন এই চত্বরে ট্রাফিক পুলিশ মাঝে মাঝে চকচকে রং করে যায় যাতে সবার বসতে সুবিধা হয় পরিষ্কার থাকে জায়গাটি।

সেরাদেশ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


বগুড়ায় ফুটপাত দখল যেন বাপ-দাদার সম্পত্তি,পুলিশ যেন খেলনার পুতুল

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বগুড়ার সাতমাথা থেকে সবগুলো রাস্তা হকারদের দখলে। কয়দিন আগে দেখলাম, বগুড়ার ট্রাফিক ইনচার্জ সালেকুজ্জামান বিভিন্ন রাস্তায় বাঁশের বেড়া লাগিয়ে যানজট নিরসন করছে। পরের দিন খুঁজলাম সেই বাঁশ—পরে দেখি, সাইডে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে আছে বাঁশগুলো!

যাই হোক, মূল কথায় আসি। কাঁঠালতলায় আমি আর সাংবাদিক নাজমুল সংবাদপত্রের বাজারের তথ্য নিয়ে ফেরার পথে পেঁপে দেখে নিলাম ও সেখানেই খাচ্ছিলাম।

খেতে খেতে দখলাম ৩ জন লোক , ড্রাগন নিচ্ছে। ফুটপাতের দোকান হাতের কাছে থাকায় ২০০ টাকা কেজি দরে ২টা মাপতে বললো।আমরা পাশ থেকে সব কিছু দেখছি আসলে ঘটে কি? দাম অনেক পরে ৮০+ টাকা আসলো। একজন বলে উঠলো, দেশি ছোট ড্রাগন এতো ওজন হওয়ার কথা না, তাই নিব না।

আসার সময় আবার ফুটপাত দখলকারি বলতেছে, ড্রাগন নিতে হবে। তারা বললো, ওর পছন্দ না—নিব না। সে কী জোর! বলছে, মাপালেন কেনো, নিতে হবে। তোড়জোড়, হুটহাট!

এদেরকে সপ্ট কর্ণার থেকে দেখতাম, কিন্তু আচরণ ১০০% খারাপ। এর  মধ্যে ভালো আচরণের লোক ও আছে সবাই খারাপ না। 

আসলে এটা শুধু তাদের সঙ্গে ঘটেছে তা নয়, হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে এসব ঘটাচ্ছে।

ফুটপাত দখল নিয়ে গায়ের জোরে বিক্রি করায় তাদের প্রধান উত্তম আয়। আসলে এমন করলে এ জগত, পরের জগত—২টাই যাবে।

আর আমাদের ট্রাফিক ইনচার্জকে বগুড়া থেকে ট্রান্সফার করা হোক। বহুদিন হয়েছে, সবাইকে মমতা দেখিয়ে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছে।

যানজট কমবে না মনে হয় বগুড়ায়।সিটি করপোরেশন হয়েছে, অথচ জীবনযাত্রার মান সেই লাউ আর কদু! বগুড়াবাসী স্থায়ী কিছু উন্নয়ন চায়। ও ভালো কথা ছবিতে দেখছেন এই চত্বরে ট্রাফিক পুলিশ মাঝে মাঝে চকচকে রং করে যায় যাতে সবার বসতে সুবিধা হয় পরিষ্কার থাকে জায়গাটি।


সেরাদেশ

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম
সম্পাদক: আতোয়ার হোসেন
বার্তা সম্পাদক: তরিকুল ইসলাম।

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সেরাদেশ
বগুড়ায় ফুটপাত দখল যেন বাপ-দাদার সম্পত্তি,পুলিশ যেন খেলনার পুতুল
0:00 0:00
1.0x