বগুড়ার গাবতলীতে চাকরি দেওয়ার নামে ৭ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে এসেছে। ১২ অক্টোবর দুপুর ২টায় গাবতলী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মোছা. লিপি খাতুন অ্যাডভোকেট মো. শিপন আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন বলে দাবি করেছেন শিপন আলী। ওই অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে দাবি করে একই দিন পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মো. শিপন আলী বলেন, গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. লিপি খাতুনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় পারিবারিক ও অন্যান্য মামলার আইনগত কার্যক্রম পরিচালনার সূত্রে।
তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই লিপি খাতুন আদালতের মাধ্যমে এফিডেভিট করে তাঁর সঙ্গে কোনো অবৈধ সম্পর্ক নেই বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।
শিপন আলীর অভিযোগ, পরবর্তীতে এক নারী সংসদ সদস্যের মাধ্যমে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাঁর ছোট বোন শাম্মী আকতার স্মৃতির কাছ থেকে লিপি খাতুন ৭ লাখ টাকা গ্রহণ করেন এবং ওই টাকার বিপরীতে স্বাক্ষরিত একটি চেক দেন। তবে দীর্ঘদিনেও চাকরি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, এ নিয়ে তাঁর ও তাঁর বোনের সঙ্গে লিপি খাতুনের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে লিপি খাতুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের ছবি ছড়িয়ে দিয়ে মানহানি করছেন এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শিপন আলী আরও দাবি করেন, তাঁর খালা সীমা খাতুনের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগও ভিত্তিহীন। এসব অভিযোগের মাধ্যমে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।