গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের মোঃ রাজিবুল ইসলামের ছেলে, মোঃ আব্দুল মালেক (৫০) অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য, বগুড়া মহানগরের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাধীনরত অবস্থায় হাসপাতালের বেডেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে নিহত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনেরা অভিযোগ তুলেন যে, চিকিৎসকদের ভূল চিকিৎসার করার কারণে আব্দুল মালেকের মৃত্যু হয়েছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে মৃত্যু ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনেরা, কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারি হয়।
পরবর্তীতে আবার আহত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন হোস্টেলে অবস্থানরত অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মারামারির খবর ছড়িয়ে পড়লে, মেডিসিন ওয়ার্ডের ৭ম তলায় গিয়ে পুণরায় মারামারি সংগঠিত হয়।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের রুমে মৃত্যু ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনেরা ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদেরকে নিয়ে ঘটনাটি সমাধান করার জন্য দুই পক্ষই বসে। রাত ১ টার সময় সমাধানে সিদ্ধান্ত হয় যে, মৃত ব্যক্তির যে ৬ জন সদস্য আহত হয়েছে তাদেরকে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা প্রদান করে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এরই ধারাবাহিকতায় ২ জন ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় বর্তমানে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন ও অন্য ৪ জন সদস্যকে বগুড়া সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা রোগীর লোকজন কোন প্রকার লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করেনি।
মৃত্যু ব্যক্তির আহত আত্মীয় স্বজনেরা হলেন,মোঃ তানরিন (২৬) নিশিন্দারা। মোঃ রাকিবুল হাসান (১৯), ফুলবাড়ি। মোঃ প্রান্ত, (২২), ফুলবাড়ী। এম এম মিনহাজ (১৮), ফুলবাড়ী মোঃনাফিউল (২৬), ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়া। মোঃ বিপ্লব হোসেন (২৬), নামাজগড় ভান্ডারী মসজিদ, সবাই বগুড়া মহানগরের।