ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সেরাদেশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা
ছবি: প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে  আয়োজিত কেরাত, হামদ, নাতে রাসুল ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের বিশেষ আর্থিক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার  সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননার অর্থ হস্তান্তরন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক  মো. রইছ উদ্‌দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক সাবিনা শরমীন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ট্রেজারার অধ্যাপক  মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মাহবুব আলম। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি, সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে আর্থিক সম্মাননা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক  মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম অনুসরণীয় আদর্শ। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে জানা এবং তা বাস্তব জীবনে অনুসরণ করা। প্রকৃত মুমিনের অন্তরে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে। বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়ায় মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা ও চর্চার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপনের প্রস্তুতি এক মাস আগে থেকেই নেওয়া হবে এবং আরও বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য পুরস্কারের অর্থ আগেই ঘোষণা করা হবে। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়ায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্ন রাখতে ‘ক্লিনিং ডে’ পালনের ঘোষণা দিয়ে উপাচার্য বলেন, পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে তা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্লিনিং ডে’ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া পুরান ঢাকাকে একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বলয় হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মাধ্যমে একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করা হবে।

উপাচার্য আরও জানান, বিশ্বজিৎ চত্বরকে আধুনিকায়নের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক  সাবিনা শরমীন বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। মন্ত্রীর ঘোষিত আর্থিক সম্মাননার অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর পর বিজয়ীদের হাতে তা তুলে দিতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনন্দিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ট্রেজারার অধ্যাপক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এ ধরনের আয়োজন করা উচিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করতে পেরে তাঁরা আনন্দিত। শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপির শারীরিক সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কলা অনুষদের ডিন, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান,প্রাণিবিদ্যা চেয়ারম্যান, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক এবং পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)।

অনুষ্ঠানে কেরাত, হামদ, নাতে রাসুল ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। পরে বিজয়ীদের হাতে আর্থিক সম্মাননা তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে ৫০ হাজার টাকা এবং অন্য ১১ জন বিজয়ীকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপির দ্রুত সুস্থতা ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়।

সেরাদেশ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে  আয়োজিত কেরাত, হামদ, নাতে রাসুল ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের বিশেষ আর্থিক সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার  সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননার অর্থ হস্তান্তরন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক  মো. রইছ উদ্‌দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক সাবিনা শরমীন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ট্রেজারার অধ্যাপক  মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মাহবুব আলম। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি, সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে আর্থিক সম্মাননা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক  মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম অনুসরণীয় আদর্শ। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে জানা এবং তা বাস্তব জীবনে অনুসরণ করা। প্রকৃত মুমিনের অন্তরে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর জীবনাদর্শের চেতনা সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে। বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হওয়ায় মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা ও চর্চার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপনের প্রস্তুতি এক মাস আগে থেকেই নেওয়া হবে এবং আরও বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য পুরস্কারের অর্থ আগেই ঘোষণা করা হবে। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়ায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্ন রাখতে ‘ক্লিনিং ডে’ পালনের ঘোষণা দিয়ে উপাচার্য বলেন, পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে তা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্লিনিং ডে’ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া পুরান ঢাকাকে একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বলয় হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মাধ্যমে একটি রোডম্যাপ প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে কাজ করা হবে।

উপাচার্য আরও জানান, বিশ্বজিৎ চত্বরকে আধুনিকায়নের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক  সাবিনা শরমীন বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। মন্ত্রীর ঘোষিত আর্থিক সম্মাননার অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর পর বিজয়ীদের হাতে তা তুলে দিতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনন্দিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ট্রেজারার অধ্যাপক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এ ধরনের আয়োজন করা উচিত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করতে পেরে তাঁরা আনন্দিত। শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপির শারীরিক সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কলা অনুষদের ডিন, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান,প্রাণিবিদ্যা চেয়ারম্যান, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক এবং পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)।

অনুষ্ঠানে কেরাত, হামদ, নাতে রাসুল ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। পরে বিজয়ীদের হাতে আর্থিক সম্মাননা তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে ৫০ হাজার টাকা এবং অন্য ১১ জন বিজয়ীকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), এমপির দ্রুত সুস্থতা ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়।


সেরাদেশ

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম
সম্পাদক: আতোয়ার হোসেন
বার্তা সম্পাদক: তরিকুল ইসলাম।

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সেরাদেশ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সম্মাননা
0:00 0:00
1.0x